নিজের আবাস থেকে অন্তর্বাস চুরি গেলো পাক মন্ত্রীর! খোঁজার জন্য লাগানো হল গোটা ব্যাটেলিয়ান

মাই ইন্ডিয়া ডেস্কঃ লাহোর এডিশনঃ  একদিকে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনার পারদ বেড়েই চলেছে। একবার ইমরান খান ট্রাম্পকে ফোন করে কান্না কাটি করছে, আরেকদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে গতকাল ফোনে কথা বলার পর ইমরান খানকে ফোন করে একটু বকা ঝকা করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। গোটা পাকিস্তান এখন কাশ্মীর ইস্যুই নিয়ে ব্যাস্ত। তাঁরা দিন রাতের খাওয়া ভুলে গিয়ে শুধু কাশ্মীর কাশ্মীর করে চেঁচিয়ে যাচ্ছে। যদিও এতে লাভ পাকিস্তানেরই হচ্ছে। কারণ ভারতের সাথে ব্যাবসা বাণিজ্য বন্ধ করার পর পাকিস্তানের দৈনন্দিন জীবনে বড় প্রভাব পড়েছে। প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে, এমনকি পাকিস্তানে এখন বোমের থেকে টমেটো দামি হয়ে গেছে। আরেকদিকে পাকিস্তানে তেলের দাম বেড়ে প্রায় ১২০ টাকা লিটার হয়ে গেছে। এর জন্য পাকিস্তানিরা যদি এখন না খেয়ে উপোস করে, তাহলে সেটা তাঁদের পক্ষেই লাভ জনক।

Sheikh Rasheed Ahmed

কাশ্মীর ইস্যু আন্তর্জাতিক মহলে তুলে বারবার থাপ্পড় খেয়েছে পাকিস্তান। রাষ্ট্রপুঞ্জে পাকিস্তানের পক্ষে দাঁড়িয়ে ছিল পাকিস্তানের একমাত্র বন্ধু চীন। আর চীনও পাকিস্তানের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক মহলে বেইজ্জত হয়ে গেছে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়াতে পাকিস্তানের আর্মি আর তাঁদের প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা বারবার ভারতকে পরমাণু হামলার হুমকি দিয়ে চলেছে। কিন্তু তাঁদের হুমকি আর ভারত কানে নিচ্ছে না। কারণ কথায় আছে, ‘যেই কুকুর ভুক ভুক বেশি করে, তাঁরা কামড়ায় না।” এর জন্যই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আর ভারতের সেনা পাকিস্তানের এই হুমকিকে কোন মতেই পাত্তা দিচ্ছে না।

Sheikh Rasheed Ahmad

আর এরই মধ্যে পাকিস্তানে এক অবাক কাণ্ড ঘটে গেছে। একদিকে গোটা পাকিস্তানের আওয়াম যখন কাশ্মীর নিয়ে ব্যাস্ত। তখন পাকিস্তান সরকারের রেল মন্ত্রী শেখ রাশিল আহমেদ ওনার অন্তর্বাস নিয়ে ব্যাস্ত। ৬৯ বছর বয়সী পাকিস্তানের এই মন্ত্রী অনে শখ করে একটি ইম্পোর্টেড ব্রান্ডের জাঙ্গিয়া কিনেছিলেন। গত পরশু স্নানের পর সেই অন্তর্বাস নিজের আবাসের বাইরে রোদে শুঁকাতে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ওনার আবাস থেকে ওই জাঙ্গিয়া হঠাৎ উধাও হয়ে যায়।

Sheikh Rasheed Ahmad

এই ঘটনার পর উনি চারিদিকে তোলপাড় করে ফেলেন, যেই করেই হোক ওই জাঙ্গিয়া ওনার চাই বলে জানিয়ে দেন তিনি। এমনকি তিনি এলাকায় মাইকিং করে জানিয়ে দেন, ওই জাঙ্গিয়া যে খোঁজ করে দেবে, তাঁকে একবেলা তাঁর আবাসে পেটপুরে খাওয়াবেন মন্ত্রী এবং নগদ ১৫০ টাকা পুরস্কারও দেবেন। পাক মন্ত্রীর এই ঘোষণা পর এলাকায় খুসির জোয়ার বয়ে যায়। কারণ পাকিস্তানে এই মুহূর্তে খুবই মন্দা দেখা দিয়েছে, আর এই সময় এক মন্ত্রীর বাড়িতে ভুরিভোজ কার না ভালো লাগে? শুধু তাই নয়, ওই জাঙ্গিয়া খোঁজার জন্য পুরো একটি ব্যাটেলিয়ানকে লাগিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। পাকিস্তানের স্থানীয় পত্রিকা (পাকিস্তানকে রখওয়ালা) এ এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর গোটা বিশ্বে খিল্লি শুরু হয়েছে।

Related Articles