অঙ্কে দুই পেলো তৈমুর, বড় হয়ে ইসরোর বিজ্ঞানী হওয়ার আশা প্রকাশ

মাই ইন্ডিয়া স্টাফ রিপোর্ট, মুম্বাই এডিশনঃ আবারও শিরোনামে সইফ আলী খান এবং করিনা কাপুরের একমাত্র সন্তান তৈমুর আলী খান। এর আগে বিভিন্ন কারণে উনি শিরোনামে এসেছিলেন, কখনো খেতে খেতে ওনার ছবি তুলে ভাইরাল করে দিয়েছিল পাপারাৎজিরা। আবার কখনো জিম করার ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল নবাব তৈমুর আলী খান। উনি আমাদের কাছে এতটাই প্রিয় যে, উনি কখন কি করেন, কখন কি খান, সবই আমরা মোটামুটি জানি।

যদিও ওনার প্রতি পাপারাৎজি দের এই উৎসুকতা অনেক সময় তৈমুরের মা করিনা কাপুরের পোষায় নি। কিন্তু তাতেও ওনার প্রতি আমাদের ভালোবাসা কখনো কম হয়ে যায়নি। এর আগে তৈমুর এবং তাঁর ন্যানি-কে নিয়ে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছিল যে, তৈমুরের ন্যানি নাকি তৈমুরের দিকে নজর দিচ্ছে না। তখন তৈমুরের পরিবার সমেত গোটা দেশের মন খারাপ হয়ে গেছিল। অবশেষে তৈমুরের ন্যানি ওনার বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে ইতি টেনে আবারও তৈমুরের প্রতি নজর দেওয়া শুরু করেছেন।

প্রসঙ্গত, মিডিয়া হাউসে নরেন্দ্র মোদী, মমতা ব্যানার্জী, অরবিন্দ কেজরীবাল, রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর থেকেও বেশি জনপ্রিয় তৈমুর আলী খান। আবার মিডিয়া রিপোর্টে এমনটাও শোনা গেছে যে, গত ২০১৯ এর নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণা হওয়ার আগে তৈমুর ফলাফল নিয়ে ভবিষ্যৎ বাণী করে দিয়েছিল। শোনা যায় যে, তিনটি চকলেটের মধ্যে রাহুল গান্ধী, নরেন্দ্র মোদী এবং মমতা ব্যানার্জীর ছবি লাগিয়ে তৈমুরের সামনে রাখা হলে, তৈমুর শুধুমাত্র মোদীর ছবি ওয়ালা চকলেটটাই খেয়েছিলেন।

এই ঘটনার পর কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতা, যেমন রাহুল, প্রিয়াঙ্কা, সোনিয়া, আহমেদ প্যাটেল তৈমুরকে প্রসন্ন করার জন্য ওনার বাড়িতে বালতি বালতি রাহুল গান্ধীর ছবি ওয়ালা চকলেট নিয়ে গেছিলেন। কিন্তু তৈমুর তাতেও প্রসন্ন হয়নি। সে ওই মোদীর চকলেটই খেয়েছিল সেদিন। এই ঘটনার পর চরম হতাশায় পড়ে যায় কংগ্রেস শিবির।

তবে এখন সবথেকে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট হল। বড় হয়ে ইসরোর বিজ্ঞানী হতে চেয়েছে তৈমুর। এই সপ্তাহেই ইসরো মহাকাশে চন্দ্রযান-২ পাঠিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আর ওই দিন তৈমুর আলী খান সরাসরি টিভিতে এই সম্প্রচার দেখেছিল। এই সম্প্রচার লাইভ দেখার পরেই, ইসরোর বিজ্ঞানী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে তৈমুর আলী খান।

যেদিন ইসরো এই মহান কাজ করছিল, তারপরের দিন তৈমুর আলী খানের স্কুল টেস্ট ছিল। ইসরোর লাইভ দেখার জন্য সেদিন তৈমুর বেশি পড়াশুনা করতে পারেনি বলে দাবি তৈমুরের ন্যানির। আর পড়াশুনা না করতে পারার জন্য স্কুল টেস্টে অঙ্কে দুই পায় তৈমুর। তবে তৈমুরের পরিবার এদিকে নজর দিতে নারাজ। তাঁরা জানিয়েছে, আজ দুই পেয়েছে কাল আবার টেস্ট হলে ১০০ পাবে তৈমুর আর বড় হয়ে সে ইসরোর বিজ্ঞানী হবে।

Related Articles