fbpx
আন্তর্জাতিকভারতীয় সেনা

বড় খবর! সকাল সকাল জঙ্গি অভিযানে গিয়ে জাইশ-ই-মহম্মদ এর দুই জঙ্গি কে খতম করলো ভারতীয় সেনা। মাথায় হাত পাকিস্তানের।

পুলওয়ামায় ভারতীয় সেনা কনভয়ে হামলার পর ক্রমশই ভারত ও পাকিস্থান সম্পর্ক উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। গত ২৬ শে ফেব্রুয়ারী পাকিস্থানের বালাকোটে প্রায় চারশো জন জঙ্গী নিকেশের পর ফেরও সেনা-জঙ্গী সংঘর্ষে প্রাণ হারাল দুই জঙ্গী। শেপিয়ানে সেনা, সিআরপিএফ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এই দুই জঙ্গীকে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে। সূত্রে খবর, বুধবার সকালে সেনা ও জঙ্গীদের টানা তিনঘন্টার ম্যারাথন গোলাগুলির পর দুই জঙ্গী নিহত হয়েছে। প্রসঙ্গত, জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গীরা লুকিয়ে আছে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শেপিয়ানের ওই জায়গায় অভিযান চালায় সেনা, জঙ্গী ও পুলিশের দল। এরপর শুরু হয় গোলাগুলি। তাই  মঙ্গলবারের মতো বুধবারও দিনটা যেন খারাপ খবর দিয়েই শুরু হল পাকিস্থানের। ইতিমধ্যেই নিয়ম লঙ্ঘন করে বেশ কয়েকবার ভারতের ওপর লাগাতার গোলা বর্ষণ করেছে পাকিস্থানি সেনা। তবে ভারতও ছেড়ে কথা বলছে না তা বুধবারের সকালের ঘটনায় বেশ স্পষ্ট্য।

অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে ভারতীয় সেনার হাতে প্রায় চারশো পাকিস্থানি জঙ্গী নিকেশের পর কার্যত মনোবল হারিয়েছে পাকিস্থানি সেনা ও প্রশাসন। পাকিস্থানি মিডিয়ার ক্রমাগত চাপ ও ভারতের জয়ের হাতছানি দুর্বল করে তুলছে পাকিস্থানি সেনা ও প্রশাসনকে। মিরাজ বিমানের হাজার কেজি বিস্ফোরণে গুঁড়িয়ে যাওয়া জঙ্গী ঘাঁটি নিয়ে মাথায় হাত পড়েছে পাক জঙ্গী সংগঠনের মাথায়।

মঙ্গলবার রাত দশটা নগাদ ভারতের ওপর গোলাবর্ষণ করে পাকিস্থান। এর পাল্টা জবাবে ভারতীয় সেনারা পাকিস্থানের ওপর হামলা চালালে একজন পাকিস্থানি সেনা মারা যায়। এরপর আবারও পাকিস্থান ভারতের ওপর আক্রমন চালায়। এরপর বুধবার সকালে শেপিয়ান অভিযানে ভারতীয় সেনার হাতে দুই জইশ জঙ্গী নিহত হয়।

এভাবে একের পর এক জঙ্গী নিধনের ফলে ক্রমশই অগ্নিগর্ভ হচ্ছে পাকিস্থান। চিনের কাছে থেকে পাওয়া দুটি জেএফ-১৭ কে মিরাজের বিমান উড়িয়ে দিয়েছে। তাই ক্রমাগত ভারতের সামরিক শক্তি উন্নতিও চিন্তায় ফেলেছে ইমরানের দেশকে। মঙ্গলবারের ঘটনার পর পাক সংবাদমাধ্যমগুলি নিজেদের দেশের অপূরণীয় ক্ষতির কথা গলা ফাটিয়ে না বললেও ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্থানের লড়াই করার শক্তি যে অনেকাংশে কমেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পুলওয়ামা জঙ্গী হামলার কথা প্রথমে নিজের মুখে স্বীকার না করলেও জইশ জঙ্গীদের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিল সীমান্তবর্তী ভারতীয় সেনা জওয়ানরারা। সেনা জওয়ানদের একটি কনভয়ে হামলার মাশুল এভাবে দিতে হবে তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি পাকিস্থান। তবে আগামীকাল পাকিস্থানের জন্য কি অপেক্ষা করছে তা দেখার অপেক্ষা।

Open

Close