মোদী সরকারের নির্দেশ মানসিকভাবে দুর্বল হওয়ার প্রয়োজন নেই। খুব শীঘ্রই ফিরিয়ে আনা হবে পাইলট অভিনন্দন মিশ্রকে।

0
84

পুলওয়ামা ও বালাকোট হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্থানের মধ্যে এক সাময়িক যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এই যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষতি না হলেও কিছুটা ক্ষতি হবে এ সাধারণ ব্যাপার। বুধবার সকালে পাকিস্থানের জেট বিমান এফ-16 কে ফায়ারিং-এর মাধ্যমে মাটিতে আছড়ে ফেলেছে ভারতীয় নৌসেনারা। পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে ভারতের একটি জেট বিমান এইআইজি-21 যান্ত্রিক ত্রুটির ফলে মাটিতে পড়ে যায়। আর বিপদের আশঙ্কা করে ওই বিমানের পাইলট পারাস্যুটে করে মাটিতে নেমে যান, কিন্তু তিনি পাকিস্থানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবতরন করেছেন বলে খবর। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শঙ্কা তৈরি হয়েছে বায়ুসেনাদের মধ্যে। বুধবার সামাজিক মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে যেখানে পাকিস্থান জেনেভা কনভেনশন নীতি পালন করছে বলে দেখানো হচ্ছে। কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে তা দেখালেও জেনেভা নীতির বিপক্ষেই কাজ করছে বলে খবর।

ভিডিওটিতে পাক মেজর অভিনন্দনকে সাধারণ প্রশ্ন করতে দেখা গিয়েছে। যদিও সেই প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি। অভিনন্দন কে কি তাহলে পাকিস্থানেই আটকে থাকতে হবে? এধরনের প্রশ্নও ঘোরাফেরা করছে দেশবাসীর মনে। পাশাপাশি জানা গিয়েছে পাকিস্থানিরা জেনেভা কনভেনশন উইন বিধি না মেনে পাইলট অভিনন্দনের ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাচ্ছে। যদিও কোনো বন্দির ওপর অত্যাচচার চালানোর নিয়ম আইন বিরুদ্ধ। ভুলবশত কেউ আটকে পড়লে বা বন্দি হলে তার সঙ্গে এধরনের আচরন করতে পারেন না কোনো দেশই।
তবে খবর, পাকিস্থান নিজে মুখেই অভিনন্দন তাঁদের কাছে আছে বলে স্বীকার করেছে। তাই ভয়ের কোনো কারণ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, কিছুদিনের মধ্যেই জেনেভা কনভেনশন উইম ও মানবাধিকার নীতি মেনে ভারতের হাতে কমান্ডোর অভিনন্দনকে ফিরিয়ে দিতে হবে, কারণ পাকিস্থান তাঁকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য।

তাই অযথা চিন্তা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন একাংশ। কারণ, এই  প্রথমবার নয়। এর আগে কার্গিল যুদ্ধের সময়ও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যখন এক ভারতীয় সেনা পাকিস্থানের হাতে বন্দি হয়। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে তাঁকে দেশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
তবে পাইলট অভিনন্দন সেদেশে বন্দি হওয়ার পর আরও বড় যুদ্ধের আশঙ্কায় ভুগছে গোটা দেশ। তাহলে কি অভিনন্দনকে হাতিয়ার করে পাকিস্থান বালাকোট হামলার জবাব দিতে চলেছে, এই প্রশ্ন জনমনে ঘোরাফেরা করছে। কিন্তু সাময়িক ভাবে অভিনন্দনকে আটকে ভারতকে মানসিক ভাবে দুর্বল করতে চাইলেও পাকিস্থান ভুল ভাবছে। কারণ, ভারতের শক্তি সম্পর্কে অবগত আছে পাকিস্থান তাই এত সহজে ভারতে দমানো যাবে না।

তাই সরকারের তরফে নির্দেশ এই ব্যাপারে অযথা চিন্তা করার দরকার নেই। কারন ভারত জানে কি ভাবে দেশের সৈনিকদের সুরক্ষিত এবং অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হয়।