fbpx
দেশনতুন খবররাজনৈতিক

লোকসভায় তৃণমূলকে ধুলিস্মাৎ করতে ফের রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদী। আগামী ৩ রা এপ্রিল ব্রিগেডে সভা করবেন উনি।

গত 19 শে জানুয়ারী মুখ্যমন্ত্রীর ব্রিগেড সভার পরেই শোনা গিয়েছিল রাজ্যেও নাকি বিজেপির ব্রিগেড হবে আর সেখানেই উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রাধনমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এবার সেই জল্পনা সত্যি হল। ভোটের আগেই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপি ব্রিগেড সভায় যোগ দিতে আগামী 3 রা এপ্রিল এক জনসভাও হবে বলে জানা গিয়েছে। আর সেই জনসভার প্রধান মুখ হতে চলেছেন দেশের জনদরদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাই বিজেপির পক্ষ থেকে নরেন্দ্র মোদীর বাংলায় আসার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোর কদমে। এমনটাই জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ মহাশয়। এইদিন প্রার্থী তালিকা নিয়ে একটি ছোট সাংবাদিক সম্মেলন করার সময় বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ব্রিগেড সভা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সেই প্রশ্নের উত্তরে উনি এমনটাই জানান। সেইসাথে উনি জানিয়েছেন যে মোদী যদি এই রাজ্যে একটি সভা করেন তাহলে সেটি রাজ্য বিজেপির পক্ষে অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে বলে মনে করেন তিনি।

ভোট শুরু 11ই এপ্রিল আর ফলাফল 23 শে মে। সেই দিনই যেন রাজ্যের 23 টি আসন বিজেপি পায় এবং জনগনও যেন সেই বিষয়টি সমর্থন করেন এমনটাও বলেন তিনি। এমনকি বিভিন্ন বিরোধী দল থেকে যেভাবে সমস্ত সদস্য বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাতে খুশি দিলীপ বাবু বিজেপিকে হারানোর হিম্মত দেখানোর জন্যও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। ন্যাশানাল লাইব্রেরীর কার্যকর্তা বৈঠকে যোগ দিতে এসে বিরোধীদের বিরুদ্ধে একহাত নেন দিলীপ ঘোষ। এদিনের বৈঠকে বিজেপি জয়ের জন্য দলের নেতা-নেত্রী ও সদস্যদের ওপর আস্থা রাখছেন তিনি। তাই নির্বাচনের আগে রাজ্যের সমস্ত মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করতে বলেছেন। একই সঙ্গে দলের সকলের হাত শক্ত করে ধরে এবারের নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদী জিতবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথাও বলেন। কিন্তু সেই ভোট চাওয়ার জন্য যেন অন্য দলের কাছে হাত না পাততে হয় সেই বিষয়ে দেখার জন্যও কড়া বার্তা দেন তিনি। কারণ উনার মতে বিজেপি হল একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দল। তাই কারুর কাছে হাত পাততে চান না।

অন্যদিকে রাজ্যের 28 টি আসনে বিজেপি প্রার্থী ঘোষনার পরই কিছুটা হলেও তৃণমূলের মতই ঘটনা ঘটেছে। দলীয় অন্দরে ক্ষোভের দানা বেঁধেছিল। হয়তো বা প্রার্থী নিয়ে নয়তো অন্য কারণে। এমনকি প্রার্থী হিসেবে অমুককে চাননা এরকমও পোস্টার পড়েছে। তবে দলের সদস্যদের সেই ক্ষোভ যেন দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং তার প্রভাব যাতে নির্বাচনে না পড়ে সেই জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে তৎপর রাজ্য বিজেপি। ন্যাশানাল লাইব্রেরীর কার্যকর্তা অনুষ্ঠানে বিজেপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্ব। সকলের প্রতি ভরসা রেখে আসন্ন নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির স্থান শক্ত করতে সর্বদা বার্তা দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তবে লোকসভা নির্বাচনের আগে যেভাবে তৃণমূলের দল ছেড়ে একে একে তাবর তাবর নেতামন্ত্রীরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছে , বিজেপি প্রার্থী ঘোষনার পরে এমন কিছু হতে পারে বলেও সম্ভবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না কেউই।

আর প্রধানমন্ত্রী এই ব্রিগেড সভা নিয়ে বেশ উত্তেজিত হয়ে রয়েছে রাজ্য বিজেপি সদর দপ্তর। কারণ তারা ভালোভাবেই জানেন যে, যেকোনো উপায় যাদি লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়ে রাজ্যের ব্রিগেডে একটি সভা করানো যায় তাহলে তাতে বিজেপির বেশ সুবিধা হবে। কারণ শুধু বিজেপিই নয় সেই সাথে রাজ্যের সমস্ত বিরোধী দল গুলিও ভালোভাবেই জানেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি রাজ্যে একটি সভা করেন তাহলে বিজেপির এরাজ্যে লোকসভা আসন সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকগুণ বেড়ে যাবে।

Open

Close