আজ স্বরস্বতী পূজা, আজকের দিনেই ১৪ বছরের এই হিন্দুবালক নিজের মাথা কাটিয়ে হিন্দুধর্ম রক্ষা করেছিল।

আজ বাসন্তী পঞ্চমীর পূর্ণ তিথি আজকের দিনে প্রতিটি হিন্দু পালন করে থাকেন সরস্বতী পূজা। আর এই আজকের দিনে এক হিন্দু বালক নিজের ধর্মের জন্য নিজের প্রাণ দিয়েছিল অর্থাৎ তিনি নিজের মাথাটি পর্যন্ত বলিদান করেছিলেন কিন্তু তার ধর্ম পরিবর্তন করেননি। সেই হিন্দু যুবকের নাম হাকিকাত রায়। উনি জন্মগ্রহণ করেন ১৭ শতাব্দীতে বর্তমান পাকিস্তানের শিয়ালকোর্টে।

এই বালক কে হত্যা করেছিল মুঘল রাজারা। তৎকালীন মুসলিমরা হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন দেবদেবীর নামে অনেক আপত্তিজনক ভাষা প্রয়োগ করেছিল সেই সময় উনি মুসলিমদের বলেছিলেন তোমরা কেন এইভাবে হিন্দু ধর্মকে অপমানিত করছো? তোমাদের ধর্ম নিয়ে যদি এরকম কুটুক্তি ব্যবহার করা হয় তাহলে তোমাদের কি ভালো লাগবে। এই কথাটুকুর জন্যই হাকিকাত এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে কট্টরপন্থী মুসলিমরা এবং সেই সময়কার মুঘল রাজারা তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন। তার পরিবারের তরফ থেকে অনেক অনুরোধ করা হয় হাকিকাত এর জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কিন্তু সেই সময় মোগল অত্যাচারী রাজারা তার জীবন ফিরিয়ে দেয় নি। আর এরপর যে ঘটনাটি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে যাচ্ছি সেটা জানার পর আপনাদের শ্রদ্ধা অনেক গুন বেড়ে যাবে সেই ১৪ বছরের বালকটির প্রতি।

এরপর হাকিকত রায়কে যেদিন মৃত্যু প্রদানের জায়গায় নিয়ে আসা হল সেই সময় হাকিকাত কে বলা হল যে তুমি যদি মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করো তাহলে তোমার প্রাণ ভিক্ষা দেওয়া হবে। সেটা শুনে ছেলের প্রাণ ভিক্ষা পাওয়া পাওয়ার জন্য হাকিকাত এর পরিবার রাজি হয়ে গেল কিন্তু হাকিকাত সরাসরি তাদের সেই কথা ফিরিয়ে দেন তিনি মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন এবং নিজের গলা কাটিয়ে নেন। তিনি তার সেই দিনের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করে গিয়েছিলেন যে উনি একজন প্রকৃত হিন্দু বীর। আজও সেই দিনের সেই বালকের আত্মত্যাগ মনে রেখেছেন ভারতবর্ষের অনেক মানুষ। কিন্তু ভারতবর্ষের দালাল ঐতিহাসিকবিদরা ধর্মনিরপেক্ষতার নাম করে সেই দিনের সেই বালকের কথা ইতিহাসের পাতায় ছাপেনি যাতে ভারতবর্ষের মানুষ জানতে না পারে। তাই আপনারা যারা আজকে এই ঘটনাটি জানলেন তারা এই প্রতিবেদন টি শেয়ার করে আপনাদের বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সকলের কাছে তুলে ধরুন। যাতে ভারতের প্রতিটি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এই সত্যি পৌঁছে যায়।
#অগ্নিপুত্র