পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় নিহত জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গেলে বাধার মুখে পড়ে এবিভিপির ছাত্র সংগঠন। নিহত জওয়ানদের ছবির ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের মারধর করে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ভাঙ্গচুর করা হয় ছাত্রদের বাইক। এমনই অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগণার গোবরডাঙ্গা কলেজের টিএমসিপি ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এবিভিপির ৫ জন আহত হয়। এদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাবড়া হাসপাতালে ভর্তি।

গত বছর এই দিনে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামালায় নিহত হয় ৪০ জন সেনাজওয়ান। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার গোবরডাঙ্গা কলেজে এবিভিপি সংগঠনের সদস্যরা কর্মসূচি নেয়। এদিন নিহত জওয়ানদের ছবি এবং ব্যানার টাঙ্গিয়ে জওয়াদের প্রতি শ্রদ্ধার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, সেই সময় টিএমসিপির সদস্য ও স্থানীয় তৃণমূল নেতারা বাধা দেয়। ছবি ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

প্রতিবাদ করতে গেলে এবিভিপি সংগঠনের সদস্যদের বাঁশ, লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকি কলেজে ঢুকলে খুন করার হুমকি দেয় টিএমসিপি ছাত্ররা। এই ঘটনায় এবিভিপির পাঁচ সদস্য আহত হয়। এদের মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাবড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন পারমিতা বিশ্বাস, দিগন্ত চক্রবর্তী, লিটন বিশ্বাস, সুজিত দাস ও শুভ। এদের মধ্যে পারমিতা বিশ্বাস, দিগন্ত চক্রবর্তী। পারমিতা বিশ্বাস ও দিগন্ত চক্রবর্তী হাসপাতালে ভর্তি।

এবিভিপির সদস্য অচিন্ত মল্লিক, লিটন বিশ্বাস বলেন, কলেজের অধ্যক্ষ ও পুলিশের সহযোগিতায় আমাদের সদস্য সদস্যাদের মারধর করেছে। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করলে বৃহত্তর নামার হুমকি দেয়। যদিও টিএমসিপির সদস্যরা ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে।