Connect with us

নতুন খবর

বাড়িতে ঢুকে গুলি করে খুন করা হল তৃণমূল কংগ্রেসের এক সমর্থককে, ঘটনার পর উত্তেজনা ছড়াল গোটা এলাকায়

Published

on

Staff Report: পুরানো বিবাদের জেরে বাড়িতে ঢুকে এক তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থককে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে মৃত ওই ব্যাক্তির নাম শাখাতু মহম্মদ (৬৫)। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর থানার আগডিমটিখুন্তি এলাকার মৌলানীগছ গ্রামে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা। ঘটনাস্থলে ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী৷ পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুর থানার আগডিমটিখুন্তি অঞ্চলের মোলানীগছ গ্রামের বাসিন্দা কবির ও পাসারুলের সাথে একটি ছাগল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছিল ওই গ্রামেরই বাসিন্দা শাকাতু মহম্মদের। এদিন সকালে শাখাতু মহম্মদ নিজের বাড়িতে বসেছিলেন। অভিযোগ, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মহম্মদ আমির ও পাসারুল আলম এসে আচমকা শাখাতু মহম্মদকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন শাখাতু মহম্মদ। স্থানীয় বাসিন্দারা গুলিবিদ্ধ শাখাতু মহম্মদকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।

শাখাতুর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইসলামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। মৃত শাখাতু মহম্মদের ছেলে মমতাজ আলি জানিয়েছেন, কেন তার বাবাকে ওরা গুলি করল তা তিনি কিছুই জানেননা। তার বাবা বাড়িতেই ছিলেন, সেইসময় বাড়িতে তারা কেউ ছিলেন না। আচমকা মহম্মদ কবির ও পাসারুল আলম নামে দুইব্যাক্তি গুলি করে পালিয়ে যায়।

এই খুনের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে মহম্মদ কবির ও পাসারুল আলমের বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তেজিত বাসিন্দারা অভিযুক্তদের বাড়ির নয়টি ঘর ও একটি খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে ইসলামপুরের দমকল বাহিনী ও বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Continue Reading

নতুন খবর

সাইকেলে চেপে সিঙ্গুরের মেঠো পথে ঘুরে নিজের প্রচারকার্য সারলেন বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে।

Published

on

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে হুগলি লোকসভা নির্বাচন থেকে প্রার্থী হিসাবে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে লোকসভা নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিটি লোকসভা প্রার্থী নিজের নিজের প্রচারকাজ শুরু করে দিয়েছেন, সেইসাথে পিছিয়ে নেই লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি এবার শুরু করে দিলেন নিজের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারকার্য। শনিবার হুগলি জেলার সিঙ্গুরে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে যান বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়, এই দিন এই স্থানে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে স্থানীয় মানুষজন এর মধ্যে এক অন্যরকম উত্তেজনা দেখা দেয়। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সভায় ভিড় চোখে পড়ার মতো। লোকসভার প্রচারে লকেট চট্টোপাধ্যায় এলাকাটি পরিদর্শন করেন সাইকেলে চেপে অর্থাৎ লকেট চট্টোপাধ্যায় সাইকেলে চেপে নিজের প্রচার কার্য সম্পন্ন করেন।

এই দিন প্রচারে গিয়ে গ্রামের মেঠো মাঠে লকেট চট্টোপাধ্যায় শাড়ি পড়ে সাইকেল চালিয়ে প্রচার কাজ করেন। জানা গিয়েছে উনি প্রায় আধ কিলোমিটার পর্যন্ত সাইকেল চালিয়ে প্রচার করেছেন। এইদিন লকেট চট্টোপাধ্যায়কে সাইকেল চালাতে দেখে স্থানীয় মানুষজন এর মধ্যে উত্তেজনার এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে যায়, তারা সকলেই লকেট চট্টোপাধ্যায়কে সাইকেল চালানো অবস্থায় দেখার জন্য ভিড় করতে শুরু করেন এবং সেই স্থানটি পরিণত হয় জনসমুদ্রে।

এইদিন প্রচারে কি উনি সিঙ্গুরের বাবুর ভেড়ির পশ্চিম পাড়ায় যান এবং সেখানে অবস্থিত কৃষক পরিবার গুলির সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ ক্ষন কথাবার্তা বলেন, তাদের সমস্ত সুবিধা অসুবিধা গুলি শুনেন এবং তাদের আশ্বাস দেন উনি নির্বাচনে জিতলে সুদিন ফিরিয়ে আনবেন সিঙ্গুরে।

এদিন লকেট চট্টোপাধ্যায় সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে সরাসরি কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উনি বলেন যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা দিদি শুধুমাত্র সিঙ্গুরের মানুষদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাদের ভালোর জন্য কোন রকম কাজ করেননি উল্টে তাদের চাষযোগ্য জমি গুলির অপব্যবহার করে সিঙ্গুরের মানুষদের দুঃখের দিন ডেকে এনেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
#অগ্নিপুত্র

Continue Reading

দেশ

হেমা মালিনীর গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য! যদি পুনরায় নরেন্দ্র মোদীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী না করা হয় তাহলে চরম সংকটে পড়বে দেশ।

Published

on

By

দেশের সরকার বদল আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা৷ ভোটের লড়াই প্রায় শুরু হয়েছে কেন্দ্রে৷ কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্মূল করতে তৃণমূল থেকে কংগ্রেস সমস্ত দলগুলিই কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে৷ যদিও বিজেপিতে ইতিমধ্যেই যোগ দিয়েছেন অনেক তৃণমূলের প্রাক্তন তাঁবড় নেতা নেত্রীরা৷ ভোটের লড়াইয়ে টিকিট পেয়েছেন অনেক তারকারাই৷ আবার অনেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন৷ তবে কেন্দ্রে আবারও যাতে মোদি পুনরাবৃত্তি হয় তার জন্যও মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন দেশের শীর্ষ বিজেপি নেতৃত্বরা৷ একদিকে যেমন নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য নিন্দা করেছেন অনেকেই কিন্তু আবার অনেকেই মোদির জনহিতকর কার্য্যাবলীর জন্য সাদুবাদ জানিয়েছেন৷ এবার মোদিকে ফেরও দেশের মসনদে বসানোর জন্য এগিয়ে এসেছেন এক তারকাই৷

দেশের জন্য ঠিক ভুলের সিদ্ধান্ত একমাত্র মোদিই নিতে পারেন বলে মত প্রকাশ করে মোদিকে পুননির্বাচিত না করলে দেশের সংকট বাড়বে বলে জানালেন বলি তারকা হেমা মালিনী৷ শনিবার মথুরার লোকসভা কেন্দ্রে ভোটপ্রচারে বেরিয়ে মোদির জন্য এমন প্রশংসা করলেন তিনি৷ গতবারের মতো এবারের লোকসভা নির্বাচনেও মথুরাতেই পুনরায় প্রার্থী হয়েছেন হেমা মালিনী৷ শনিবার মথুরায় ভোটপ্রচারে বেরিয়ে মোদির সুনামের পাশাপাশি বিরোধীদের কটাক্ষ করতেও ছাড়েনি হেমা মালিনী৷ শনিবার জনসভা থেকে সরাসরি বিরোধীদের তোপ দেগে এবারেও মোদিজী ছাড়া মসনদে অন্য কোনো অপশন নেই বলে মত প্রকাশ করেন তিনি৷ একই সঙ্গে মোদির ভূয়সী প্রশংসা করে অন্য কেউ দেশের প্রধান হলে তা দেশের জন্য বিপদের আশঙ্কা রয়েছে, পাশাপাশি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সদর্থক ভূমিকাতেও তিনি বেশ খুশি বলেও জানিয়েছেন৷

নাম না করেই গত সরকারকে তিরবিদ্ধও করেন এদিন৷ নরেন্দ্র মোদীর চৌকিদার চোর হ্যায় ইস্যুকে সমর্থন জানিয়ে নিজেকে চৌকিদারিনী বলে উল্লেখ করেছেন৷ দেশে দুর্নীতি দূর করার জন্য মোদী যথাযথ চেষ্টা করে চলেছেন এবং দেশ থেকে দুষ্কর্ম সরিয়ে দিতে মোদীর বিরুদ্ধে সমালচনার কড়া ভাষায় জবাবও দিয়েছেন হেমা মালিনী৷ ভোটে জয়ের ব্যাপারে একশো শতাংশ নিশ্চিত হেমা মালিনী এদিন মথুরা কেন্দ্রে জন্য গত পাঁচ বছরে নিজের সক্রিয় ভূমিকাকেও তুলে ধরেছেন৷ মথুরা কেন্দ্রে তিনি কাজের পরিপ্রেক্ষিতে জয় পাবেন বলেও জানান৷ কেন্দ্রীয় সরকারের উজ্জ্বলা যোজনা থেকে শৌচাগার তৈরি, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার প্রসঙ্গ টেনে সেই সমস্ত প্রকল্প জনগনের কাছে পৌঁছে দিতে কেন্দ্রীয় সরকার যে ততপর সে কথাও জানান তিনি৷

এবার মথুরা কেন্দ্রে হেমা মালিনীর বিরুদ্ধে লড়ছেন রাষ্ট্রীয় লোকদলের প্রার্থী নরেন্দ্র সিং, গত বারে ছিলেন জয়ন্ত চৌধুরি৷ যাকে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ ভোটে হারিয়েছিলেন হেমা মালিনী৷ এবারেও মথুরা কেন্দ্রে ব্যাপক ভাবে সেই সাড়া ফেলার সম্ভাবনা দেখছেন স্বয়ং অভিনেত্রীই৷

Continue Reading

নতুন খবর

জিতলেই সংগঠিত শ্রমিকদের বেতন ১৮,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে: বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং

Published

on

দীর্ঘদিন ধরে ঘাসফুলের সাথে থাকার পর অবশেষে তৃণমূলের ভাণ্ডামির বিরুদ্ধে সরব হয়ে তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেছেন অর্জুন সিং। বিজেপিতে যোগদানের পরই ওনাকে ব্যারাকপুর থেকে নির্বাচনের টিকিট দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে অর্থাৎ এবার ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে উনি বিজেপির হয়ে লড়াই করবেন।

আর লোকসভার টিকিট পাওয়ার পরই রাজ্যের অন্যান্য নেতাদের মতন উনিও জোরকদমে শুরু করে দিয়েছেন প্রচারকাজ। এইদিন অর্জুন সিং প্রচারে বেরিয়ে গিয়েছিলেন গুরুলিয়া। আর সেখানে গিয়ে প্রচারকাজ চালানোর সময় উনি সেখানকার ভোটারদের কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আদর্শ তুলে ধরেন এবং তাদের হাতে তুলে দেন পদ্মফুল।

এইদিন অর্জুন সিং এর কাছ থেকে পদ্মফুল পেয়ে সেখানকার ভোটাররা অত্যন্ত খুশি হন। এবং সেই সাথে তারা জানান যে, তৃণমূলের ঘাসফুল আমাদের কোনো কাজেই লাগে না ঘাসফুল হল ঘরবাড়ি নোংরা করা একটা ফুল। অপরদিকে তারা পদ্মফুলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। উনারা জানিয়েছেন যে, পদ্মফুল হল দেশের জাতীয় ফুল, এছাড়াও বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পুজোতে পদ্মফুল কাজে লাগে। পদ্মফুল বাড়িতে লক্ষ্মী আনে। এইদিন ব্যারাকপুরের লোকসভার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এলাকার অসংগঠিত শ্রমিকদের আশ্বাস দেন যে, ভোটে জিতলে ১৮,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে তাদের নূন্যতম মজুরি।

এই ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের হর্তাকর্তা হলেন অর্জুন সিং। উনি এখানে চার বারের বিধায়ক। এইদিন উনি লোকসভায় জেতার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী। উনি জানিয়েছেন যে, এই অঞ্চলের মানুষ ভোট দেন অর্জুন সিং নাম করে। অপরদিকে তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদী কে এখানকার মানুষ চেনেন না বলেও উনি জানিয়েছেন।
#অগ্নিপুত্র

Continue Reading

Trending