fbpx
আন্তর্জাতিকদেশ

অভিনন্দনকে না ছাড়লে পাকিস্তানের উপর ব্রক্ষস স্ট্রাইক করতে প্রস্তুত ছিল ভারত। পাকিস্তানকে সতর্ক করেছিল ট্রাম্প।

পাকিস্তান অভিনন্দনকে আটক করার পর থেকেই ক্রমশ ভারত ইমরানের সরকারকে পাইলট অভিনন্দনকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু প্রথমে ছেড়ে দিতে রাজী না হলেও ক্রমশ ভারতের চাপের মুখে পাকিস্তানের সংসদে ১ লা মার্চ অভিনন্দনকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ঘোষনা করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কিন্তু তার মাঝেই ট্রাম্প ঘোষনা করেছিলেন এই ১ লা মার্চের আগেই ভারতের কাছে এক সুসংবাদ আসতে পারে। তবে ট্রাম্পের এই ঘোষনার পর কিন্তু ভারতের ওপর মহলে বিরাট জল্পনা শুরু হয়। ট্রাম্প হঠাৎ এমন কেন ঘোষনা করলেন তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। আসলে ট্রাম্প আগে থেকেই জানতেন পুরো বিষয়টি। এখন তা সকলের কাছে পরিষ্কার। আসলে যখন পাকিস্তানের আমেরিকান জেট ফাইটার এফ-১৬ কে ধ্বংস করে ভারত তখনই আমেরিকা বুঝেছিল ভারত এখন আক্রমনাত্মক হয়ে উঠেছে।

তার ওপরে আবার অভিনন্দনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এতে আগুনে ঘি ঢালার অবস্থা হয়েছে। তা জানতে পেরে পাকিস্তানকে সাবধান করেছিল আমেরিকা। আসলে পাকিস্তানের পাশে থেকে ভারতের হাত থেকে পাকিস্তানকে বাঁচানোটা আমেরিকার কাছে সবথেকে বড় বিষয় হয়ে উঠেছিল। এর পিছনে কোনো অভিত্সন্ধিত্সা ছিল কি না তা যদিও এখনও স্পষ্ট্য নয়। আমেরিকা একদিকে রাশিয়া ও আরবের সঙ্গে কথা বলে এবং ঘোষনা করে তাঁরা এফ-১৬ লক করে দেবে। আর অন্যদিকে পাকিস্তানকে সাবধান করার কাজ চালিয়ে যায়। আমেরিকার কথা শুনে আরব ভারতকে এক রাতে জন্য থেমে যাওয়ার অনুরোধ করে আর তাতেই সাপে বর হয়।  কারণ আমেরিকা ভালোভাবেই জানে যদি ভারতের পাইলট না ফেরত দেয় পাকিস্তান তাহলে ভারত আরও হিংসাত্মক হয়ে উঠবে এবং পাকিস্তানে আরও বড় কোনো হামলা করতে পারে। আসলে রাশিয়া ও আমেরিকার যৌথ উদ্যোগে পাকিস্তানকে বোঝানো সম্ভব হয় এবং তারপর অভিনন্দনকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।

আমেরিকার কথায় প্রথমে পাকিস্তান ভয় পেয়েছিল। আর তাই চিন ও তুর্কির ওপর ভারতের নজরের লিংক চেয়ে বসে। কিন্তু সেটি পায়নি পাকিস্তান। উপরন্তু পাকিস্তানের ওপর ভারতের চাপও ছিল বেশ। ভারতের আগ্রাসী মনোভাব পাকিস্তানকে সমস্ত দিক থেকে আটকে দিয়েছিল। আর অভিনন্দনকে না ছেড়েও পাকিস্তানের উপায় ছিল না। কারণ মোদি সরকার পাকিস্তানের ওপরে যেকোনো ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করতে প্রস্তুত ছিল। যা জানার পর ইমরানের সরকারের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছিল।এমনিতেই পাকিস্তানের ওপর ভারতের এয়ার স্ট্রাইক করে হামলা চিন্তায় ফেলেছে ইমরানের সরকারকে। তাই ঘনঘন ব্ল্যাক আউট করতে বাধ্য হয়েছে সেদেশের প্রশাসন। জলে হামলার ভয়ে বন্দর ও বন্দর শহর গুলিকে রাতের বেলায় অন্ধকার রাখতে বাধ্য হচ্ছে তাঁরা। পাশাপাশি করাচি সহ বেশ কয়েকটি ছোটো বড় বন্দরও বন্ধ রেখেছে পাকিস্থান।

এই মুহুর্তে ভারত-পাক যুদ্ধের আবহ কিছুটা শান্ত হলেও কখন যে ভয়াবহ রুপ নিতে পারে তা সকলের অগোচরে। অন্যদিকে ভারত যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে একের পর এক বড় বড় অস্ত্র দিয়ে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলেছে দিনের পর দিন। আর এতে চিন্তা আরও বেড়ে গিয়েছে পাকিস্তানের। তাই তারা চাইছে ভারতের সাথে সংঘাতের পথে না হেঁটে আলোচনা করতে চাইছে।

Open

Close