মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বুধবার কানপুরে যান। সেখানে গিয়ে সবার আগে তিনি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেখানে তিনি জিরো বাজেট চাষের জন্য কৃষকদের প্রেরণা দেওয়ার সাথে সাথে গুজিরাটের রাজ্যপাল দেবব্রত আচার্যের সাথে সাক্ষাৎ করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি কমিশনারিতে ল্যাব বানানো হবে, যেখানে গো আধারিত চাষের ফসলকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। গঙ্গার ধারে থাকা গ্রাম গুলোতে কৃষি মেলা করা হবে।

এরপর তিনি সিএএ নিয়ে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর কোর্টে একটি জনসভা করেন তিনি। সেখানে তিনি ভাষণ দেওয়ার সময় বলেন, ভারতের পরম্পরা হল যে শরণ চাইবে তাঁর রক্ষা করা। সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস, বামপন্থী সবাই মিলে মানুষের মধ্যে শুধু বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। উনি সবাইকে বলেন, যারা সবার মধ্যে এরকম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাঁদের বিরোধিতা করুন।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, সিএএ এর বিরোধিতা করে ওঁরা আইএসআই এর এজেন্টদের ভারতে ঢোকাতে চাইছে। সিএএ এর বিরুদ্ধে মহিলারা ধর্নায় বসেছে, আর পুরুষেরা ঘরে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। গণতন্ত্রে ধরনা আর প্রদর্শনের মানে হল শান্তি আর অধিকারের কথা বলা, কিন্তু কেউ যদি সার্বজনীন সম্পত্তির ক্ষতি করে তাহলে তাঁর থেকেই ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে। এর সাথে সাথে উনি বলেন, উত্তর প্রদেশের মাটিতে কাশ্মীরের আজাদির স্লোগান দিলেই তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ এর মামলা হবে।

উনি বলেন, আজ বিরোধীরা শত্রুদের ভাষায় কথা বলছে। প্রধানমন্ত্রী বলছেন সিএএ আর এনআরসি এর কোন সম্পর্ক নেই, তখন ওঁরা মহিলা আর বাচ্চাদের এগিয়ে দিচ্ছে। এবার আমরা চুপ থাকব না। মহাভারতে দ্রৌপদীর চিরহরণের কথা উল্লেখ করে বলেন, অপরাধে প্রতিটি সহযোগী দোষী। আমাদের এখন মোদীজির এই অভিযান নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করতে হবে।