বিহারে সিএএ এর সমর্থনে সভা করতে গিয়ে জনগণের রোষের মুখে যোগী আদিত্যনাথ!

কলকাতা এসে নরেন্দ্র মোদী কালো বেলুন দেখেছেন রবিবার। মঙ্গলবার আবার বিহার, কালো বেলুন দিয়ে স্বাগত জানালো যোগী আদিত্যনাথকে। মঙ্গলবার বিহারের গয়ায় বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গেছিলেন নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন (সিএএ) সম্পর্কিত একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে। সিএএ সম্পর্কে মানুষকে ‘ভুল তথ্য দেওয়ার’ ও দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য বিরোধী দলগুলি চেষ্টা চালাচ্ছে বলে এদিনও অভিযোগ করেছেন তিনি। অন্যান্য বিজেপি নেতাদের মতই এদিন ওই সভায় আবারও যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ‘সিএএ নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং মানুষকে‘ নাগরিকত্ব দেওয়াই এর লক্ষ্য’।

ওই সভায় আদিত্যনাথ যুক্তি দিয়েছেন যে, ভারতের মুসলমানরা সমান নাগরিকত্বের অধিকার ভোগ করলেও পাকিস্তানের হিন্দু সংখ্যালঘুদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।তিনি এদিন আরও বলেন, “ভারতীয় মুসলমানদের জনসংখ্যা ভারতে কয়েকগুণ বেড়েছে কিন্তু পাকিস্তানের হিন্দু জনসংখ্যা প্রায় ২০% থেকে কমে ৪% এরও কম হয়েছে। এই নতুন আইন ( সিএএ ) এই হিন্দুদের ন্যায়বিচার প্রদান করবে।

গয়ার গান্ধী ময়দানে তাঁর বক্তৃতার মাঝেই, একগুচ্ছ কালো বেলুন আকাশে উড়ে সবার নজর কেড়েছে। যোগী আদিত্যনাথ অবশ্য বেলুনগুলিকে উপেক্ষা করে তাঁর বক্তব্য অব্যাহত রেখেছিলেন।জনগনের কাছে নতুন আইনটি ব্যাখ্যা করার জন্য বিজেপির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কোথাও বাড়ি-বাড়ি প্রচার, কোথাও বা সভা-সমিতি করে। এদিনের এই সভাটিও তারই অংশ ছিল। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার মোদী, রাজ্য দলীয় প্রধান সঞ্জয় জয়সওয়াল এবং মন্ত্রী প্রেম কুমার সহ বিহারের সমস্ত প্রবীণ বিজেপি নেতা। সভায় উপস্থিত যুবকরা “জয় শ্রী রাম” স্লোগান দিচ্ছিলেন।

এই সভাস্থল থেকে কিছুটা দূরে, সেভ কনস্টিটিউশন ফোরাম এর ব্যানারে আয়োজিত একটি ধর্ণায় কয়েকশো বিক্ষোভকারীরা সিএএ’র বিরুদ্ধে ১৭ তম দিনও ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছিল।